শুক্র-শনিবার হাসপাতাল থেকে ‘ছাড়া পাবেন’ সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

প্রধান সংবাদ

হৃদযন্ত্রে অপারেশনের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা এখন অনেকটাই ভালো। আগামী শুক্র বা শনিবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার বিষয়টি অনলাইনকে জানান সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আবু নাসের। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা ভালো। আগামী শুক্র বা শনিবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। গত মাসের শুরুতে ঢাকায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন মন্ত্রী।
গত ২০ মার্চ সিঙ্গাপুরের ওই হাসপাতালে ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। মন্ত্রীর বাইপাস সার্জারি করেন ডা. ফিলিপ কোহের নেতৃত্বে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সদস্য কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি।
এর পর থেকেই সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে পরিবারের সদস্যদের ব্রিফ করতেন। সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা সমন্বয়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পরিচালক এবং নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী পরে সেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়ে দিতেন। অপারেশনের পর থেকেই সেতুমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল। সর্বশেষ গত ২৬ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।
গতকাল সোমবার ওবায়দুল কাদেরের একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সেখানে দেখা যায়, ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে আছেন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি এবং অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী। সেখানে তাঁকে বেশ সুস্থ দেখাচ্ছিল।
ওবায়দুল কাদের গত ৩ মার্চ সকালে শ্বাসক্রিয়ার জটিলতা নিয়ে বিএসএমএমইউর করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর এনজিওগ্রাম করে তাঁর করোনারি ধমনিতে তিনটি ব্লক পান চিকিৎসকরা। যার মধ্যে একটি ব্লক অপসারণও করা হয়।
পরে প্রখ্যাত ভারতীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেঠি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে কাদেরকে দেখেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার পরামর্শ দেন। গত ৪ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *