নভেল করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চার হাজার ৫৯৩ জনের মৃত্যু হলো। এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরো এক হাজার ৮২৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট তিন লাখ ৩১ হাজার ৭৮ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।
আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য বলা হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি করোনা পরীক্ষাগারে ১৪ হাজার ৭৯২টি নমুনা সংগ্রহ হয়। পরীক্ষা হয়েছে ১৪ হাজার ৭৫৫টি নমুনা। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫২টি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো দুই হাজার ৯৯৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৩০ হাজার ৮০৪ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৬৯ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এ পর্যন্ত করোনায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ তিন হাজার ৫৮২ (৭৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ) এবং নারী এক হাজার ১১ জন (২২ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ)।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৪১ জনের মধ্যে ১০ বছরের নিচে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চারজন, ৫১ বছর থেকে ৬০ বছরের ১০ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ২৪ জন রয়েছেন।
বিভাগ অনুযায়ী, ৪১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রামে ছয়জন, রাজশাহীতে পাঁচজন, খুলনায় চারজন, বরিশালে একজন, সিলেটে দুজন, রংপুর বিভাগে পাঁচজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন রয়েছেন।
দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়ার কথা জানানো হয় এবং প্রথম মৃত্যু ঘটে গত ১৮ মার্চ। এরপর গত ১৪ এপ্রিল ৩৮তম দিনে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা এক হাজারে দাঁড়ায়।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।




