গাজীপুরের Dhaka University of Engineering and Technology-এ (ডুয়েট) উপাচার্য নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে চলমান ব্লকেড কর্মসূচির সময় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘোষণা দেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের গণতান্ত্রিক দাবিকে দমন করতে সহিংসতার পথ বেছে নেওয়া হয়েছে এবং আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। তবে তারা দাবি থেকে সরে আসবেন না। বাইরের কোনো ব্যক্তি নয়, ডুয়েটে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে। অন্যথায় আন্দোলন আরও কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো— Mohammad Iqbal-এর ডুয়েটের ভিসি হিসেবে নিয়োগ বাতিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষক থেকে নতুন ভিসি নিয়োগ এবং সাম্প্রতিক সংঘর্ষে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা।
শিক্ষার্থীদের পক্ষে পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আমান উল্লাহ ও হাসানুর রহমান বক্তব্য দেন। তারা জানান, শিক্ষার্থীদের দাবি কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক মতাদর্শকে কেন্দ্র করে নয়। সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের সঙ্গে আলোচনা করে যোগ্য কাউকে নিয়োগ দিলেই তা মেনে নেওয়া হবে।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। তবে ১৭ মে আন্দোলন চলাকালে ছাত্রদল ও বহিরাগতদের এনে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। এতে অন্তত ১৮ জন শিক্ষার্থী আহত হন, যাদের মধ্যে ১২ জনের অবস্থা গুরুতর বলে দাবি করা হয়।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিও সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে তারা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বহিরাগতদের হস্তক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে।




