জাতীয়

রাস্তায় গার্মেন্টস কর্মীদের স্রোত, ঢাকামুখী পথে পুলিশের বাধা।

করোনা ভাইরাসের ঝুঁকির মধ্যেই স্বাস্থ্য বিধি মেনে রোববার থেকে ধাপে ধাপে খুলেছে গার্মেন্টস কারখানা। শনিবার ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইতে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এরপর গতকাল সন্ধ্যায় গার্মেন্টস কারখানা খোলার বিষয়টি অবহিত করে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে।

একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পোশাক শিল্প মালিকদের অপর সংগঠন বিকেএমইএ। এরপর শ্রম মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য বিধি মেনে কারখানা চালু করার জন্য একটি নির্দেশনা জারি করে।

এদিকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌপথ দিয়ে ফেরিতে করে পদ্মা নদী পার হচ্ছেন শত শত গার্মেন্টস কর্মী। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে এসব যাত্রীদের কাঁঠালবাড়ী ঘাট থেকে ফেরিতে করে শিমুলিয়া ঘাটে এসে ঢাকার উদ্দেশ্যে যেতে দেখা গেছে। গণপরিবহন চালু না থাকায় বিকল্প পরিবহনে তারা ছুটছেন ঢাকার দিকে।

শিমুলিয়া ঘাটে দিয়ে শত শত যাত্রী দক্ষিণ বঙ্গ থেকে ঢাকায় ফিরছেন। এসব যাত্রীর অধিকাংশই গার্মেন্টস কর্মী। তারা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিকল্প যানবাহনে করে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে আসছেন। সেখান থেকে ফেরিতে করে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে আসছেন।

করোনা ভাইরাসের কারণে যাত্রীবাহী পরিবহন বন্ধ থাকায় এসব যাত্রী বিকল্প যানবাহনে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গন্তব্যে ছুটছেন। বিকল্প যানবাহনের মধ্যে রয়েছে- আটোরিকশা, ইয়েলো ক্যাব, রেন্ট-এ-কার, মাইক্রোবাস ও পিকআপ ভ্যানসহ স্থানীয় নানা ধরনের যানবাহন।