শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক জানিয়েছেন, বন্যাসহ কিছু কারণে এ বছর সেপ্টেম্বর মাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী বছরের পরীক্ষা আরও এগিয়ে আনার বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আগে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে শুরু হতো। আমরা সেখানে ফিরে যেতে না পারলেও মার্চে শুরু করার পরিকল্পনা করছি।’
এ বছরের পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা সচিব বলেন, ‘সারাদেশে কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণে অসুবিধা হয়নি। শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছে। সড়কে যানজট ও বৈরী আবহাওয়ার কথা চিন্তা করেই এবার সকাল ১০টার পরিবর্তে পরীক্ষা ১১টায় নেওয়া হয়েছে।’
সচিব বলেন, ‘পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। কেউ যদি এ নিয়ে গুজব ছড়ায় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১০ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। আর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১০ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১১ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সারা
দেশের ২৯ হাজার ৫১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তিন হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে এসএসসি, দাখিল এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেবে।
উল্লেখ্য, দেশব্যাপী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল গত ১৯ জুন। তবে সিলেট বিভাগসহ ময়মনসিংহ অঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ১৭ জুন এসএসসি পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা আসে।




