রাজনীতি

জনগণের দাবি একটাই, সেটা হচ্ছে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা- মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সব বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করেও সমাবেশে লাখো জনতার স্বতস্ফুর্ত উপস্থিতি জনতার সুনামি। অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে শামিল হতে জনতা জেগে উঠেছে। শত বাধা দিয়েও সরকার এ জনতার ঢেউ রুখতে পারেনি। এ আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নেওয়া পর্যন্ত সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশের সব শ্রেণিপেশার নাগরিকদের রাজপথে থাকতে হবে।’

সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা আকড়ে ধরে রেখেছে জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘জনগণের দাবি একটাই, সেটা হচ্ছে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো আর কোনো নির্বাচন দেশে হতে দেওয়া যাবে না। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনে জনগণের সরকার কায়েম হবে।’

দুপুর ২টায় এই সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেলা ১২টার আগেই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ভিড় করতে থাকেন দলটির নেতাকর্মীরা। নয়াপল্টনের সড়কটি রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৈনিক বাংলার মোড় হয়ে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট হয়ে পল্টন মোড়, পল্টন মোড় থেকে উত্তর দিকে নাইটিংগেল মোড় পর্যন্ত জনস্রোত নামে।

বিএনপির আজকের এ সমাবেশ উপলক্ষ্যে আরামবাগ, মতিঝিল, কমলাপুর, রাজউক ভবন, শান্তিনগর, রাজারবাগসহ আশেপাশের এলাকাগুলোও লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। এ সমাবেশ থেকে আন্দোলনের কর্মসূচির বার্তা নিতে রাজধানীর আশেপাশের জেলাগুলো থেকেও হাজার হাজার নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন। সকাল থেকেই মিছিলের নগরীতে পরিণত হয় ঢাকা।